Bangla sms

ওজন কমান ৭টি বিজ্ঞানসম্মত অভিনব উপায়ে – ওজন কমানোর উপায়

মূল প্রতিপাদ্য বিষয়: ওজন, ওজন কমানোর খাদ্য তালিকা, ওজন কমানোর টিপস, ওজন কমানো, ওজন কমানোর উপায়, ওজন কমানোর ব্যায়াম, ওজন কমানোর উপায় কি, ওজন কমানোর ঔষধ, মেয়েদের ওজন কমানোর উপায়, ওজন কমান ৭টি বিজ্ঞানসম্মত অভিনব উপায়ে।

ওজন কমানোর ব্যাপারটা এখনকার মানুষের মধ্যে একটি সাধারণ ম্যানিয়া হয়ে দাড়িয়েছে। শুধু নিজেকে সুন্দর দেখানোর জন্য নয়, সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্যও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা দরকার।

তবে আমরা অনেকেই মনে করি, ওজন কমানোর জন্য শারীরিক ব্যায়াম এবং সঠিক খাবারই যথেষ্ট। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে আপনার আরো কিছু দরকার, যা আপনার ওজন কমানোর যাত্রা পথকে আরো সুন্দর করে তুলবে। সুতরাং অবশ্যই তা জানা দরকার।

হ্যাঁ, এবার বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে কমান ওজন। খাবার ও শারীরিক ব্যায়ামের সঙ্গে সঙ্গে কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের এই তথ্যগুলো হতে পারে আপনার জন্য খুবই উপকারী।
ওজন কমানোর উপায়
১। খাবারের রঙের থেকে ভিন্ন রঙের থালা বা প্লেট

আপনার খাবার গ্রহণের থালা বা প্লেট খুব সতর্কতার সঙ্গে নির্বাচন করুন। খাবার এবং খাবারের প্লেটের রঙ একই হলে মানুষ নিজের অজান্তেই বেশি খাবার গ্রহণ করে ফেলে। এ জন্য খাবারের রঙের থেকে ভিন্ন রঙের প্লেট নির্বাচন করুন। এতে খাবার গ্রহণের পরিমাণ ঠিক থাকবে।

২। স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ

প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় স্বাস্থ্যকর খাবার বেশি রাখুন। অর্থাৎ হাতের কাছে স্বাস্থ্যকর খাবার বেশি রাখুন। তাহলে যখন ক্ষুধা লাগবে তখন জাঙ্ক ফুডের পরিবর্তে ভালো কিছু খাওয়া হবে। এছাড়া প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ফল রাখুন এবং হালকা স্ন্যাক্সেও ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন।

৩। নগদ টাকা দিয়ে খাবার মূল্য পরিশোধ

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের আরেকটি গবেষণায় বলা হয় যে, আপনি যখন বাড়ির জন্য গ্রোসারির জিনিস কিনবেন তখন তা নগদ টাকায় পরিশোধ করলে, বড়তি খাদ্য তালিকা কমে যায়। আমরা যখন কার্ডে টাকা পরিশোধ করি তখন তা আমাদের হিসাবের মধ্যে থাকে না সব সময়। এ জন্য নগদ টাকায় পরিশোধ করলে বাড়তি খাবার ক্রয়ের প্রবনতা কমে যায়।

৪। রেস্টুরেন্টে যাওয়ার পূর্বে খাওয়া

আমরা অনেকে মনে করি রেস্টুরেন্টে যাওয়ার পূর্বে কোনো খাবার খাওয়া আবার রেস্টুরেন্টে যেয়ে খাওয়া শুধুমাত্র অধিক ক্যালরি গ্রহণ। কিন্তু তা নয়। আপনি যদি রেস্টুরেন্টে যাওয়ার পূর্বে যদি একটি আপেল বা ব্রথ বেইজড স্যুপ খান তাহলে তা কোনোভাবেই আপনার শরীরে অতিরিক্ত ক্যালরি জমাবে না।

৫। গন্ধে অর্ধ ভোজন

খাবারের গন্ধেই মানুষের অর্ধ ভোজন। খাবারের গন্ধ যত সুস্বাদু তত পরিমাণে বেশি খাওয়ার প্রবণতা থাকে। তাই খাবারে বেশি পরিমাণে অলিভ অয়েল, রসুন ইত্যাদি ব্যবহার করুন। তাহলে তা আপনার খাওয়ার পরিমাণ কমাতে সাহায্য করবে।

৬। সকালের শুরুতে মিষ্টিমুখ

মিষ্টি জাতীয় খাবার ভালো কার্বোহাইড্রেটের উৎস। সকালে নাস্তায় যদি একটু মিষ্টি রাখতে পারেন তাহলে তা আপনার জন্য খুবই ভালো। কিন্তু যারা ডায়েট করেন তারা মিষ্টিকে একেবারে হারাম বলে মনে করেন। এই ধারণা বাদ দিন। কম কার্বো এবং সুগার ছাড়া মিষ্টি তৈরি করুন। তাহলে তা খুবই স্বাস্থ্যকর খাবার হবে আপনার জন্য।

৭। ঠাণ্ডা করে খান পাস্তা

আমরা যারা পাস্তা খেতে পছন্দ করি তাদের জন্য সুখবর। আপনি ডায়েটে থেকেও পাস্তা খেতে পারেন তবে তা বানানোর সঙ্গে সঙ্গে না খেয়ে ঠাণ্ডা করুন তারপর তা আবার গরম করে খান। এতে এই খাবার থেকে অতিরিক্ত ক্যালরি ঝরে পড়বে। এবং তা আপনার জন্য একটু হলেও লো ফ্যাটেড খাবার হবে।

ডায়েটে থেকে আমরা কি খাচ্ছি কতটুকু খাচ্ছি তা আসলেই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। তাই নিজের খাবার সম্পর্কে সচেতন হোন। এক্ষেত্রে ওপরের গবেষণাভিত্তিক পদ্ধতিগুলো ওজন কমানোর লক্ষ্য পূরণে আপনাকে সাহায্য করবে।

তথ্যসূত্র: সিম্পল মোস্ট। ধন্যবাদ, পোষ্টটি ভাল লাগলে শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন।