Bangla sms

ডলার নির্ভরতায় বাংলাদেশের ক্ষতি বছরে ৩৮ কোটি ডলার

আমদানি-রপ্তানিতে একক মুদ্রা ডলার ব্যবহারের কারণে বছরে ৩৮ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতির মুখে পড়ছে বাংলাদেশ। একাধিক মুদ্রা ব্যবহারে এ ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব বলে মত দিয়েছেন গ্লোবাল কারেন্সি ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা জোসেফ টফট।

বিজিএমইএ আয়োজিত ভবনটির কনফারেন্স রুমে কারেন্সি এক্সপোজার ম্যানেজমেন্ট শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

জোসেফ টফট বলেন, একাধিক মুদ্রা ব্যবহারের ফলে কারেন্সির অব্যবস্থাপনা দূর হবে। পাশাপাশি পণ্য আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতি দূর হবে। কারণ মার্কিন মুদ্রা ব্যবহারের ফলে বছরে ৩৮০ মিলিয়ন (৩৮ কোটি ডলার) ডলার ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে বাংলাদেশ। তাই যে দেশের সাথে পণ্য বিনিময় হবে সেই দেশের মুদ্রা ব্যবহার করার প্রস্তাব দেন তিনি। এতে বাংলাদেশ আর্থিক ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে।

বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য

তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশে ইউএস ডলার ও ইউরো সহ বিভিন্ন মুদ্রার যে দরপতন হচ্ছে তাতে করে এই মুদ্রা ব্যবহার করলে বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হতে হবে। যদি এসবের পরিবর্তে অন্যান্য মুদ্রা ব্যবহার করা হয় তাহলে এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা যাবে। তাই বহুমুখি কারেন্সি বাস্কেটে আমাদের যেতে হবে।

এর জবাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবুল কাশেম বলেন, যদি স্টেকহোল্ডাররা চায় একাধিক মুদ্রার প্রচলন করতে তাহলে বাংলাদেশ ব্যাংক সবধরনের সহযোগিতা করবে।

এসময় বিজিএমইএর সভাপতি মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের প্রতিবছর ১৫ লাখ ৪০ হাজার ডলার অবমূল্যায়ন হচ্ছে। আমরা যদি একাধিক বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহার করতে পারি তাহলে এ ধরনের অবমূল্যায়ন কমবে।

সেমিনারে আরো উপস্থিত ছিলেন- বিজিএমইএর উপদেষ্টা মামুনুর রশিদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা আক্তারুজ্জামান, বিজিএমই এর সহ-সভাপতি এম এ মান্নান কচি, শহীদুল্লাহ আজিমসহ বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।